বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
যে মামলায় পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাআলমডাঙ্গায় মাদকসহ ১১ মামলার আসামি লিজু মালিথা গ্রেফতারচট্টগ্রামে ফেনসিডিলের মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড৩৭ বছরেও ক্ষুধা কমেনি কোহলিরছয় শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা আসতে পারে দুই ঘূর্ণিঝড়মাগুরায় শাকের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৭, ৬১ ভরি স্বর্ণ উদ্ধারপ্রাণিসম্পদে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে: প্রতিমন্ত্রীময়মনসিংহে ৪৯২ বোতল ফেনসিডিলসহ নেত্রকোনার যুবক আটকঅভিযোগ কমাতে সাড়ে ১০ হাজার মিটার বদলাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসাডেঙ্গুতে এক দিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৮৬৬
বিজ্ঞাপন

ফুলকপি-বাঁধাকপি এখন কৃষকের গলার কাঁটা

নিজস্ব প্রতিবেদক০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
ফুলকপি-বাঁধাকপি এখন কৃষকের গলার কাঁটা

একই এলাকার আরেক কৃষক শাহাবুদ্দিন জানান, এক বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ হাজার চারা লাগাতে হয়। শুধু চারা কিনতেই খরচ পড়ে প্রায় ২০ হাজার টাকা। এরপর পাঁচবার সার প্রয়োগ, চারবার নিড়ানি ও অন্তত ১০ বার সেচ দিতে হয়। রোগবালাই দমনেও বাড়তি খরচ রয়েছে। ফসল তোলার সময় প্রতিদিন ৫০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিক নিতে হচ্ছে। কিন্তু বিক্রির দাম কম হওয়ায় ফসল কাটার সিদ্ধান্ত নিতেও হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।

হরিপুর উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলাম আড়াই বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় ফসল বিক্রি করতে পারছেন না। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও এলাকার আকতারুজ্জামানেরও একই অবস্থা। উৎপাদন উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির চাপে চাষাবাদের খরচ বেড়েছে, অথচ উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে কম দামে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...