ফুলকপি-বাঁধাকপি এখন কৃষকের গলার কাঁটা

একই এলাকার আরেক কৃষক শাহাবুদ্দিন জানান, এক বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ হাজার চারা লাগাতে হয়। শুধু চারা কিনতেই খরচ পড়ে প্রায় ২০ হাজার টাকা। এরপর পাঁচবার সার প্রয়োগ, চারবার নিড়ানি ও অন্তত ১০ বার সেচ দিতে হয়। রোগবালাই দমনেও বাড়তি খরচ রয়েছে। ফসল তোলার সময় প্রতিদিন ৫০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিক নিতে হচ্ছে। কিন্তু বিক্রির দাম কম হওয়ায় ফসল কাটার সিদ্ধান্ত নিতেও হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।
হরিপুর উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলাম আড়াই বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় ফসল বিক্রি করতে পারছেন না। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও এলাকার আকতারুজ্জামানেরও একই অবস্থা। উৎপাদন উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির চাপে চাষাবাদের খরচ বেড়েছে, অথচ উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে কম দামে।
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

