বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
এবার কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডপ্রতিবেশীর ঘরে আগুন নেভাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল যুবকেরমানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যেন ভুক্তভোগী সাজতে না পারে: ডেপুটি স্পিকারছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক বরখাস্তফরিদপুরে ডিবি পরিচয়ে ইজিবাইক ছিনতাই: চাকরিচ্যুত পুলিশ-সেনাসদস্যসহ গ্রেপ্তার ৩ঢাকায় লাগেজ না আসায় অনুশীলন ছাড়াই ভারতের সঙ্গে খেলবে পাকিস্তানকারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তাররাজনৈতিক প্রভাবে মানহীন মেডিকেল কলেজের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীমানি চেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রার কাস্টডিয়াল হিসাব খোলার সুযোগখুলনায় জয় ঢালী হত্যা মামলায় ‘বি’ কোম্পানির দুই সদস্য গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন

মাগুরায় শাকের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৭, ৬১ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
মাগুরায় শাকের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৭, ৬১ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার

এ ঘটনায় গত ২৮ অক্টোবর মাগুরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. জুয়েল হোসেন (৪৭), তৌকির আহমেদ (২৫), মো. ফরিদ মণ্ডল (৫৯), মো. মিল্টন মোল্যা (৩৫), মারুফ আকতার (৩২), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) এবং মো. মারুফ হোসেন (৪৪)। তাদের কাছ থেকে ১টি তেজাবী কাটা সোনার বার (ওজন ৯ ভরি ৭ আনা ৫ রতি), ডাকাতিতে ব্যবহৃত ইয়ামাহা এক্সএসআর ও পালসার মডেলের ২টি মোটরসাইকেল এবং ১টি সিলভার রঙের টয়োটা ভিটস কার জব্দ করা হয়।

স্বর্ণের ভাগ নিয়ে বিরোধে টার্মিনালে শাকেরকে প্রকাশ্যে গুলি

ডাকাতির ঘটনার তদন্ত চলাকালেই গত ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ‘রয়েল এক্সপ্রেস’ কাউন্টারে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে গিয়ে যুবদল নেতা শাকের হোসেনের মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শারমিয়াহার রমা বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ তদন্ত চালিয়ে এই হত্যা মামলায় ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন রনি শিকদার (৩৮), শামীমা তাবাসসুম (৩১), অনিমেষ মজুমদার (৫৫), মো. মারুফ হোসেন (৪৪), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) এবং বশির আলী (৩৫)। তাদের নিকট থেকে পিস্তলের বুলেট, খালি কার্তুজ এবং ৫১ দশমিক ৯ ভরি (৫টি সোনার বার) সোনা উদ্ধার করা হয়। দুই মামলায় সর্বমোট উদ্ধারকৃত সোনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬১ ভরি ৬ আনা (৭১৬.৪৬ গ্রাম)।

১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি ও মূল রহস্য

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উভয় মামলার অন্যতম প্রধান আসামি মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) মাগুরার বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি সোনা চোরাচালান ও লুণ্ঠিত সোনার ভাগাভাগি নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কথা স্বীকার করে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন।

পুলিশ সুপার জানান, এই অপরাধ চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং অবশিষ্ট সোনা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান জোরদার রাখা হয়েছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...