এবার কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

এরপর তার বন্ধু বাইরে আসতেই তার ওপর হামলা চালান অভিযুক্ত ব্যক্তি। মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে বারবার ছুরিকাঘাত করেন তিনি। এতে গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান অভিযুক্তের বন্ধু। আদালতে শুনানির সময় তিনি অপরাধ স্বীকারও করেন।
তিনি আদালতকে জানান, বিরোধ শুরুর আগে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। একবার বাড়িতে আসার সময় তার বন্ধু অনুমতি ছাড়াই তার স্ত্রীর ছবি তুলেছিল এবং পরবর্তীতে সেগুলো ফেসবুকে প্রকাশ করে দেয়।
অভিযুক্তের দাবি, ছবিগুলো প্রকাশের পর তার স্ত্রীর বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য আসতে শুরু করলে তিনি বন্ধুকে সেগুলো মুছে ফেলতে বলেন। কিন্তু বন্ধু তা করতে অস্বীকৃতি জানান, বরং আরও ছবি প্রকাশ করেন। এতে তার ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ আরও বেড়ে যায়।
অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতকে বলেন, এই বিরোধের জেরেই তিনি প্রতিশোধ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে হত্যার পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়ন করেন। এরই প্রেক্ষিতে তাকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।

