সিলেট টেস্টের আগে কার থেকে কী পরামর্শ পেয়েছেন অমিত

মিরপুর টেস্টে নিজেদের পাতা ফাঁদেই সর্বনাশ হয়েছে বাংলাদেশের। তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজরা স্পিন সহায়ক উইকেটের ফায়দা নিতে না পারলেও বাংলাদেশি ব্যাটারদের ঠিকই ভুগিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা। মিরপুরের সেই দুঃসহ স্মৃতি সঙ্গে করে এবার সিলেট টেস্টে তাকিয়ে বাংলাদেশ।
মিরপুরে প্রথম টেস্টে ৮ উইকেটে হারায় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের উঠার পথটা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখার পাশাপাশি ধবলধোলাই এড়াতে আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া সিলেট টেস্টে জিততেই হবে স্বাগতিকদের। জয়-পরাজয় একপাশে রেখে গুরুত্বপূর্ণ সে ম্যাচের আগে আলোচনায় উইকেট।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পেসাররা দারুণ সাফল্য পেলেও ঢাকা টেস্টে স্পিন সহায়ক উইকেটে ভরসা রেখেছিল বাংলাদেশ। হারের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের শক্তি ও দূর্বলতার বিষয়টি মাথায় রেখেই এমন উইকেট তৈরি করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত হিতে বিপরীত হয়েছে। প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৪২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৭০ রানের লক্ষ্য দিয়ে স্পিনাররা ছিলেন পুরোপুরি ব্যর্থ। একটা উইকেটও নিতে পারেননি তাইজুল-মিরাজরা। ক্যারিবীয়দের পতন হওয়া উইকেট দুটি নেন হাসান মাহমুদ ও শরীফুল ইসলাম।
অন্যদিকে উইকেটের পূর্ণ সুবিধা কাজে লাগিয়ে স্বাগতিকদের ২০ উইকেটের ১৬টাই নেন জোমেল ওয়ারিক্যান, রোস্টন চেজরা। সিলেটে উইকেটের চিত্র কেমন উইকেট হয়, সেটা নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই ভক্তদের মনে। এখনই সেটার উত্তর না মিললেও দ্বিতীয় টেস্ট যে স্পিন বিষে নীল হচ্ছে না, সে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এরই মধ্যে। দ্বিতীয় টেস্ট সামনে রেখে গতকাল অনুশীলন করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। অনুশীলন ছাড়াও সবার পাখির চোখ ছিল উইকেটের দিকে।

