ক্রিপ্টো চুরিতে জড়িত থাকার অভিযোগ হাস্যকর, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অশুভ চেষ্টা’: উত্তর কোরিয়া

তবে এই অর্থপ্রবাহ বাইন্যান্সের মোট সম্পদের তুলনায় ‘তুলনামূলকভাবে সীমিত অংশ’। প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। হ্যাকিংয়ের প্রভাব, পরবর্তী সময়ে গ্রাহকদের অর্থ তুলে নেওয়া এবং বাজারদরের পরিবর্তন সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই এই হিসাব করা হয়েছে বলে মুখপাত্র জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘অর্থ তুলে নেওয়ার পরিমাণ এখন স্থিতিশীল হচ্ছে। অন-চেইন লেনদেনের ক্ষেত্রে আমরা যেটিকে স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত বলে মনে করি, পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে।’
গত সপ্তাহে বাইন্যান্স জানিয়েছিল, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানের একজন প্রকৌশলীর ল্যাপটপ হ্যাক হয়েছিল। এর মাধ্যমে হামলাকারী অননুমোদিতভাবে ক্রিপ্টো সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়।
হ্যাকিংয়ের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদ জব্দ করতে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সির ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছে বাইন্যান্স। এরপর প্রতিষ্ঠানটিতে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর লেনদেন আবার শুরু হয়েছে।
বাইন্যান্স বারবার বলেছে, এই হামলার কারণে হওয়া সব ক্ষতি তারা নিজেরাই বহন করবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, হ্যাকিংয়ের ঘটনায় চুরি হওয়া সম্পদের প্রায় ৯৫ শতাংশ ইতিমধ্যে তারা পূরণ করেছে।

