রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
কচাকাটা কলেজে চার পদে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, অধ্যক্ষ-সভাপতির অপসারণ দাবিপুরো উপজেলায় যমজ দুই বোন পেলেন জিপিএ-৫রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার হাফিজরোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ডবিএনপি জাতির জন্য আপদ, এই আপদ সরাতে হবে: এ টি এম আজহারসাজেকে দ্বিতীয় দিনের মতো জেএসএস-ইউপিডিএফ গোলাগুলিপিএসসির সদস্য ড. শামীমার শপথআপনি কোথাও পালাতে পারবেন না—রামলীলা থেকে মোদিকে রাহুলের হুঁশিয়ারি১২০০ টাকা নিয়ে বিরোধে ঝিনুককে হত্যা, মরদেহ ফেলা হয় ২০০ কিমি দূরেস্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট-নার্সদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন: ড. জাকির
বিজ্ঞাপন

প্রযুক্তির কোলাহলমুক্ত ব্যাটল হারবার: শতবর্ষ আগের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক দ্বীপ

নিজস্ব প্রতিবেদক২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
প্রযুক্তির কোলাহলমুক্ত ব্যাটল হারবার: শতবর্ষ আগের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক দ্বীপ

যানবাহনের কোনো হর্নের শব্দ নেই, নেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যস্ত কোলাহল। এমন এক শান্ত ও ভিন্নধর্মী পরিবেশের দেখা মিলবে কানাডার ব্যাটল হারবার দ্বীপে। পুরো দ্বীপে কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না, ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে মাত্র একটি নির্দিষ্ট স্থানে। তবে জরুরি যোগাযোগের প্রয়োজনে প্রতিটি ঘরে রয়েছে ওয়াকি-টকির ব্যবস্থা।

ইতিহাস ও প্রাচীন ঐতিহ্যের হাতছানি

দ্বীপে কাঠের তৈরি পুরোনো ভবনগুলো পরিচিত ‘দ্য রুমস’ নামে। সেখানে প্রবেশ করলেই মনে হবে যেন ১৯০০ শতকের কোনো যুগে ফিরে যাওয়া হয়েছে। তৎকালীন খাবার ও লবণ মজুত রাখার পুরোনো আড়তগুলো আজও সেই ঐতিহাসিক আবহ ধরে রেখেছে। এই দ্বীপের ‘সল্ট স্টোর’-এর একটি কক্ষ থেকেই ১৯০৯ সালে উত্তর মেরু জয়ের বার্তা নিউইয়র্ক টাইমসে পাঠিয়েছিলেন প্রখ্যাত মেরু অভিযাত্রী রবার্ট পিয়ারি। এ ছাড়া উত্তর আমেরিকার অত্যন্ত প্রাচীন গুগলিয়েলমো মার্কনির রেডিও তরঙ্গভিত্তিক তারবিহীন টেলিগ্রাফ টাওয়ারটি এখনো এই দ্বীপে অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

lifestyle3

দ্বীপটির পাথুরে পাহাড়ের ওপর রয়েছে শত বছরের পুরোনো এক সমাধিস্থল। সেই নির্জন কবরস্থানে এখন বসতি গড়েছে মেরু শিয়ালের পরিবার। ভোরের আলো ফুটতেই তাদের অবাধ বিচরণ দ্বীপটিতে তৈরি করে আলাদা এক অনুভূতি।

ভ্রমণের সময় ও যাতায়াত

বছরের সব সময় এখানে যাওয়া যায় না। শুধু জুন মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিক পর্যন্ত নির্জন এই স্থান দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। পর্যটকদের থাকার জন্য এখানে রয়েছে শতবর্ষ পুরোনো কাঠ দিয়ে সংস্কার করা ঐতিহ্যবাহী কটেজ।

কানাডার পূর্বের প্রদেশ নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডরের হ্যাপি ভ্যালি-গুজ বে এলাকা থেকে বনাঞ্চলের পথ ধরে গাড়িতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চালিয়ে পৌঁছাতে হয় ম্যারিস হারবারে। সেখান থেকে প্রতিদিন সকালে ছেড়ে যাওয়া নিয়মিত যাত্রীবাহী ফেরিতে চড়ে প্রায় এক ঘণ্টার জলপথ পাড়ি দিলেই পৌঁছানো যায় ঐতিহাসিক ব্যাটল হারবার দ্বীপে।

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...