পেট ভরপুর অথচ শরীর ক্লান্ত, জানুন এর রহস্য কী

ক্ষতিকর প্রভাব এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি
হিডেন হাঙর শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যই নয়, জাতীয় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের অভাবে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়, কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ভেঙে পড়ে। চিকিৎসকদের মতে, জীবনের প্রথম ১ হাজার দিনে এই ঘাটতি ঘটলে তা শিশুর বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক বৃদ্ধিতে স্থায়ী ক্ষতি ডেকে আনে।

নীরব ক্ষুধা থেকে মুক্তির উপায়
সারা দিন পেট ভরিয়ে খাওয়া মানেই পুষ্টি নিশ্চিত হওয়া নয়। তাই নিজের ও পরিবারের সুস্থতার স্বার্থে খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া এবং পুষ্টিকর সুষম খাবার খাওয়া এখন সময়ের দাবি। সারা দিনের ডায়েটে বড় কোনো পরিবর্তন না এনেও সহজে এই ঘাটতি দূর করা সম্ভব। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী দৈনন্দিন থালায় কিছু পরিবর্তন আনুন।
-শুধু রুটি-আলুভাজি না খেয়ে পাতে ডাল, ছোলা বা নানা পদের মৌসুমি শাকসবজি রাখুন।
-পোলাও বা খিচুড়িতে মটরশুঁটি, বাদাম ব্যবহার করুন। ভাত বা ডালের সঙ্গে লেবু খাওয়ার অভ্যাস করুন, যা পুষ্টি শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে।
-চা বা কফি ভরা পেটে বা খাবারের সঙ্গে না খেয়ে খাবার খাওয়ার কিছুটা পরে পান করুন; কারণ, চা-কফি উদ্ভিজ্জ আয়রনের শোষণ কমিয়ে দেয়।
-প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফলমূল, দুধ, দই, বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার রাখার চেষ্টা করুন।
সূত্র:হেলথ শর্টস, বেটার নিউট্রিশন

