ইয়াবা-মদ ও গাঁজাসহ আটক ৯জনের মধ্যে ৮জনের কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা সদর ও জীবননগরে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ৯জনের মধ্যে ৮জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনকে দুইমাস করে, একজনকে একমাস এবং অপর একজনকে তিনমাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্যদিকে, চোলাইমদ উদ্ধারের ঘটনায় একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় চোলাইমদ, ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, জীবননগর বাজারে কাজল নামের এক ব্যক্তির আমের আড়তের সামনে অভিযান চালিয়ে কিরণ মণ্ডল (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তার হাতে থাকা বাজারের ব্যাগের ভেতরে একটি প্লাস্টিকের কন্টেইনার থেকে ২০ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মদের আনুমানিক মূল্য ১০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় উপপরিদর্শক এস এম শাহিন পারভেজ বাদী হয়ে জীবননগর থানায় নিয়মিত মামলা করেন। এ ছাড়া পৃথক অভিযানে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সিঅ্যান্ডবি পাড়ার ইবাদুল্লাহ শেখ সাকিব (২৬) নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং হকপাড়ার নয়ন (৩৫) নামের অপর এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। মাদক সেবনের অভিযোগে আরও ছয়জনকে আটক করা হয়। গ্রেফতার অন্য ব্যক্তিরা হলেন জীবননগরের গয়েশপুর উত্তরপাড়ার মুরাদ হোসেন (৪৫), গঙ্গাদাসপুরের বাবলুর রহমান (৪৭), পোস্ট অফিসপাড়ার ওয়াসিম আলী (৪৫), মহানগর উত্তরপাড়ার হেরাজ উদ্দিন (৩০), লক্ষ্মীপুর ভাঙা ব্রিজ এলাকার ছমির খাঁ (৪৫) এবং পুরাতন লক্ষ্মীপুর খাঁপাড়ার আহসান হাবিব (১৯)। ডিএনসির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আশিস মোমতাজ ইবাদুল্লাহ শেখ সাকিবকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড এবং নয়নকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত মুরাদ হোসেন, বাবলুর রহমান, ওয়াসিম আলী, হেরাজ উদ্দিন, ছমির খাঁ ও আহসান হাবিবকে দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

