চুয়াডাঙ্গার গুলশানপাড়ায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুজন জখম, আশঙ্কাজনক আবির ঢাকায় রেফার্ড

চুয়াডাঙ্গা শহরের গুলশানপাড়ায় পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্রের হামলায় দুজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আবু রায়হান আবির (২৪) নামের এক তরুণের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে গুলশানপাড়ার গৃহিণী স্টোর (আফিন্দির দোকান) সংলগ্ন সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আবির ওই এলাকার আবুল বাশারের ছেলে। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে জাহিদ (৩০)। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত একই এলাকার বাসিন্দা ইউনুসের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে।
আহতদের বরাতে জানা গেছে, পুরোনো বিরোধ নিয়ে ঘটনার সময় আবিরের সঙ্গে ইউনুসের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ইউনুস ধারালো ডেগার বের করে আবিরের ওপর চড়াও হন এবং উপর্যুপরি আঘাত করেন। এ সময় আবিরকে বাঁচাতে জাহিদ দ্রুত এগিয়ে এলে হামলাকারী তাঁকেও কুপিয়ে জখম করেন। তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আফরিনা ইসলাম জানান, ভোজালিজাতীয় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুজনের শরীরেই গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে আবিরের আঘাত অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। অন্যদিকে জাহিদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশের টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ বা এজাহার দায়ের করা হয়নি। তবে পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে পুলিশের ছায়া তদন্ত চলছে।

