পায়রায় কমছে বিদেশি জাহাজের আনাগোনা—দুই বছর আগে ভিড়েছিল ১২৩টি, গত বছর ২৯

সংকট উত্তরণের বিষয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়—পণ্য ছাড়করণের প্রক্রিয়াটি শুধু বন্দর কর্তৃপক্ষের ওপর নয়, এটি কাস্টমস হাউস, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বিভিন্ন শিপিং লাইনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমানে পায়রা বন্দর ব্যবহারকারীদের এই কার্যক্রমগুলো সম্পাদনে বরিশাল ও খুলনা কাস্টম হাউসের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। বন্দর ব্যবহারকারীদের আকৃষ্টকরণে পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ কাস্টম হাউস স্থাপন করা প্রয়োজন।
সড়ক যোগাযোগ প্রতিবন্ধকতার কথাও তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কের উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো দুই লেনবিশিষ্ট হওয়ায় পায়রা বন্দরের সঙ্গে নির্বিঘ্ন সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের বিষয়টি ইতিমধ্যে একনেকে অনুমোদিত হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
এ ছাড়া ঢাকা-পায়রা রুটে মোট ৬টি স্থানে টোল আদায় করা হয়। এতে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পায়রা বন্দরের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলেও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।
বৈঠকে কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

