সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

দেশীয় ঐতিহ্য ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়: নিতাই রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
দেশীয় ঐতিহ্য ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়: নিতাই রায়

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সুস্থ বিনোদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা জরুরি। মাদকাসক্তি, অনলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর আসক্তি থেকে তরুণদের দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে নৌকা বাইচের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী নৌকা চড়ে মধুমতি নদীর দুই পাড়ের লাখো দর্শকের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান এবং মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন। এসময় তার সাবলীল ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে মুখরিত হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ।

মধুমতি নৌকাবাইচ মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোতাকাব্বীর আহম্মেদ, পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন পিপিএম (সেবা), জেলা পরিষদ প্রশাসক জনাব আলী আহমেদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. রোকনউজ্জামান খান এবং অ্যাড. মিথুন রায় চৌধুরী। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদবতী মিস্ত্রি ও মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম. শামীম আহমেদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স গণমাধ্যমের ব্যক্তিবর্গ।

গ্রাম বাংলার শেকড়ভিত্তিক এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দেখতে নড়াইল, ঝিনাইদহ, ফরিদপুর, মধুখালী, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলা ও দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসে উৎসুক জনতা। মধুমতি নদীতে নৌকার মাঝিদের সুহৃদ দাঁড় টানার ছন্দে এবং কাঁসার ঘণ্টার ‘টং টং’ শব্দে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মেলা উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছিল পুরো এলাকা। গ্রামীণ এই মেলায় শিশুদের খেলনা, কসমেটিকস, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি, পানের দোকান এবং গৃহস্থালির আসবাবপত্রের পসরা বসেছিল। বিনোদনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে ছিল তিনতলা বিশিষ্ট নৌকার আদলে তৈরি নাগরদোলা, চরকি ও ট্রেন।

এবারের প্রতিযোগিতায় মোট ১২টি নৌকা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা বিজয়ী দলগুলোর হাতে ১ম, ২য় ও ৩য় পুরস্কার তুলে দেন।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...