সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

অটোরিকশা বিক্রির জন্য চালককে হত্যা, লাশ ফেলা হয় নদীতে

নিজস্ব প্রতিবেদক০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
অটোরিকশা বিক্রির জন্য চালককে হত্যা, লাশ ফেলা হয় নদীতে

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার কাজে তাঁর নানি সহযোগিতা করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশ জানায়, আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, আসাদুল ও রিয়াদ দুজনই মাদকসেবী ছিলেন। ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় রণবীরবালা গ্রামে রেহানা বেগমের বাড়িতে তাঁরা একসঙ্গে ইয়াবা সেবন করেন। এ সময় রিয়াদের কাছে থাকা চকচকে ৫০ টাকার একটি নোট দেখতে চান আসাদুল। নোটটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁদের মধ্যে বিরোধ বাধে। একপর্যায়ে আসাদুল কলম দিয়ে রিয়াদকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিয়াদ ঘরে থাকা ছুরি দিয়ে আসাদুলের গলায় আঘাত করেন।

পুলিশের ভাষ্য, আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে যান আসাদুল। পরে তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে বুক চেপে ধরেন রিয়াদ। একপর্যায়ে বিছানার চাদরে লাশ মুড়িয়ে বাড়ির পাশের করতোয়া নদীতে ফেলে দেন। এ কাজে তাঁকে সহযোগিতা করেন তাঁর নানি রেহানা বেগম।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, আসাদুলের অটোরিকশাটি বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল রিয়াদের। এ উদ্দেশে ২৪ অক্টোবর দুপুরের পর তিনি আসাদুলের অটোরিকশায় যাত্রী হিসেবে ওঠেন। পরে তাঁকে নিয়ে নানির বাড়িতে যান। সেখানে সন্ধ্যায় তাঁরা ইয়াবা সেবন করেন।

ওসি বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে আজ রোববার বিকেলে বগুড়ার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...