ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে ভোগান্তি ৫০ হাজার মানুষের, গার্ডার সেতুর দাবি

এরপর থেকে গুলিশাখালী ও কুকুয়া ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগ ও কৃষিপণ্য পরিবহনে ভোগান্তি বেড়েছে। বিশেষ করে গুলিশাখালী ইউনিয়নে প্রতিবছর প্রায় ৫০ কোটি টাকার তরমুজ উৎপাদিত হলেও সেতু দিয়ে পণ্যবোঝাই যানবাহন চলাচল করতে না পারায় পাইকারি ক্রেতারা আসতে চান না। এতে তরমুজচাষিরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। পাশাপাশি খেকুয়ারী বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
মানববন্ধনে আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোফাজ্জেল হাওলাদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মো. দেলোয়ার মুন্সি, প্রভাষক ফারুক হোসেন, মোশাররফ হোসেন মোল্লা, কবির পঞ্চায়েত, মোমেন আকন, মোস্তফা ঘরামী ও ইউপি সদস্য ছত্তার মিয়াসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, ২০০১ সালে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও নির্মাণকাজে অনিয়মের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই এটি অকেজো হয়ে পড়ে। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত পুরোনো সেতুর স্থানে গার্ডার সেতু নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, খেকুয়ারী বাজারের লোহার সেতুর জায়গায় দ্রুত গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যে সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর নকশা তৈরির কাজ চলছে।

