শ্রমিক আন্দোলনের নামে নৈরাজ্যের চেষ্টা করছে একটি গোষ্ঠী: ডিআইজি

ডিআইজি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পোশাকশ্রমিক নন, তারা বহিরাগত। শ্রমিকদের আবেগকে পুঁজি করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছিল তারা। তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আটটি মামলা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা)।
শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারে কারখানার কাজ পুরোদমে চলছে। আশুলিয়ার গুটিকয়েক কারখানা ছাড়া বাকি সব কারখানা ও ডিইপিজেডের উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে। কারখানার ভেতরের ও বাইরের অংশ, মহাসড়ক এবং শ্রমিকদের আবাসস্থল সব জায়গায় পর্যাপ্ত পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ডিআইজি জানান, ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করে প্রথম বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকার শ্রমিকবান্ধব হওয়ায় সংকট সমাধানে কোনো ঘাটতি নেই। শ্রমিকদের নির্ভয়ে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, আবাসস্থলে গিয়ে যারা শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

