বদলগাছীর ৮৯৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ মাত্র একজন

ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানের দাবি
চার কলেজে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রমের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে তিনটি কলেজে পাসের হার ১২ শতাংশের নিচে নেমে আসার কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, পাঠদানের পরিবেশ, শিক্ষকসংকট, পাঠ্যক্রম শেষ করা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।
স্থানীয় অভিভাবক ইবনে তাহির মুহাম্মদ নয়নসহ কয়েকজন বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাড়িতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তি কমাতে অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে।
বদলগাছী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম শেখসহ উপজেলার অন্য তিন কলেজের অধ্যক্ষরাও ফলাফলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, এ ফলাফলে তাঁরা খুশি নন। আগের সরকারের নীতি ছিল শতভাগ পাস নিশ্চিত করা। বর্তমান সরকারের নীতি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
একদিকে ৬৯১ শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার হতাশা, অন্যদিকে একমাত্র জিপিএ-৫ পাওয়া মিথিলার সাফল্য। এই দুই বিপরীত চিত্র বদলগাছীর কলেজ শিক্ষার বাস্তবতা নতুন করে সামনে এনেছে।

