মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় ব্যবসায়ী নিহতপ্রকল্পের নাম বদলে হলো ‘ই-বাংলাদেশ পার্লামেন্ট’, করা হলো উপকমিটিওনির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করলে জনগণের যাওয়ার জায়গা থাকে না: জাহেদ উর রহমানসাব্বির-আফিফদের নিয়ে এশিয়া কাপের দল দিল বিসিবিটাকার লোভ সামলাতে পারিনি: ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদকেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু৩ দিনের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামো ও শ্রমমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শ্রমিক শক্তিরনতুন ভিসা চালু করছে অস্ট্রেলিয়া, সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরাওউপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সিইওর বিরুদ্ধে ক্ষোভসিলেট টেস্টের আগে কার থেকে কী পরামর্শ পেয়েছেন অমিত
বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীর ভাতার টাকা হাতিয়ে নিল বিকাশ প্রতারক চক্র

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীর ভাতার টাকা হাতিয়ে নিল বিকাশ প্রতারক চক্র

চুয়াডাঙ্গা শহরের কেদারগঞ্জ সিএনবি পাড়ায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীর সরকারি ভাতার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বিকাশ প্রতারক চক্র। সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পরিবারের সরলতার সুযোগে পিন নম্বর বাগিয়ে নিয়ে অ্যাকাউন্টে থাকা জমানো আড়াই হাজার টাকা নিয়ে গেছে তারা। এমন অমানবিক ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

ভুক্তভোগী তরুণীর মায়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তাঁদের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একটি কল আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি নিজেকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেন, তরুণীর বিকাশ অ্যাকাউন্টে ভাতার ২ হাজার ১০০ টাকা পাঠানো হয়েছে এবং তা যাচাই করতে ইনবক্সের এসএমএস চেক করতে বলেন। ফোনদাতার কথামতো বার্তা দেখতে গিয়ে পরিবারটি টাকা জমার একটি এসএমএস দেখতে পায়। কিছুক্ষণ পরই একই কায়দায় আরও ৩০০ টাকা ও ১৫০ টাকা পাঠানোর পৃথক দুটি বার্তা আসে।

পিন নম্বর পেতেই উধাও টাকা

টাকা আসার তথ্যে পরিবারটি আশ্বস্ত হলে একপর্যায়ে বিকাশ অ্যাকাউন্টের গোপন পিন নম্বরটি জানতে চায় ওই প্রতারক। কোনো কিছু না বুঝেই পরিবারের সদস্যরা সরল বিশ্বাসে পিন নম্বরটি তাকে জানিয়ে দেন। এর পরপরই অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স দেখতে গিয়ে তাঁরা বুঝতে পারেন, অ্যাকাউন্টে থাকা মোট ২ হাজার ৫০০ টাকাই তুলে নেওয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে খতিয়ে দেখে পরিবার নিশ্চিত হয়, টাকা জমা হওয়ার যে বার্তাগুলো পাঠানো হয়েছিল, তার প্রতিটিই ছিল প্রতারক চক্রের সাজানো ভুয়া এসএমএস। প্রতিবন্ধী ভাতার এই যৎসামান্য রাষ্ট্রীয় সহায়তাই ছিল অসহায় পরিবারটির একমাত্র ভরসা। সেই সম্বলটুকুও এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে খোয়া যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তাঁরা।

এ ঘটনায় কেদারগঞ্জ সিএনবি পাড়া এলাকায় চরম ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। অসহায় প্রতিবন্ধী মানুষের ভাতার টাকাও প্রতারকদের হাত থেকে রেহাই না পাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। প্রতারক চক্রটিকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

আঞ্চলিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...