শাহ আমানত বিমানবন্দর: ৬৩৫ নিরাপত্তাকর্মীর পরও থামছে না চুরি

ভিওআর বিমানবন্দরের নেভিগেশন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি থেকে পাঠানো সংকেত উড়োজাহাজকে দিক নির্ণয় ও অবতরণ এবং উড্ডয়নের সময় পথনির্দেশনায় সহায়তা করে। তবে সর্বশেষ চুরির ঘটনায় ভিওআর নেভিগেশন যন্ত্রপাতি নয়, এর কাছাকাছি সড়কের বাতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের তার চুরি হয়েছে। চুরির স্থানটির কাছেই বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিজিবির হেলিকপ্টার রাখার হ্যাঙ্গার রয়েছে। ফলে এলাকাটির নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
একের পর এক চুরি
বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, গত আগস্ট থেকে বিমানবন্দরে ট্রান্সফরমার, বৈদ্যুতিক তার এবং রানওয়ের আলোসংক্রান্ত সরঞ্জাম চুরির ১১টি ঘটনা ঘটেছে।
গত ২১ আগস্ট রানওয়ের ০৫ প্রান্ত থেকে একটি ট্রান্সফরমার এবং প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কেব্ল কিট চুরি হয়। একই ঘটনায় ভূগর্ভস্থ তার, রানওয়ের বাতি, লাইট বেস ও লুপিং কেব্লও নিয়ে যায় চোরেরা। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর কার্গো গুদামের পশ্চিম সীমানা থেকে রানওয়ের ০৫ প্রান্তের দিকে প্রায় আধা কিলোমিটার নিরাপত্তাবাতির তার চুরি হয়। এতে ওই এলাকার প্রায় এক কিলোমিটার অংশ অন্ধকার হয়ে পড়ে। সেই রাতে ভিওআর নেভিগেশন এলাকার বৈদ্যুতিক সরঞ্জামও চুরি হয়। এতে ওই এলাকাতেও আলোর ব্যবস্থা ব্যাহত হয় বলে বিমানবন্দর সূত্র জানায়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর রানওয়ের ২৩ প্রান্ত থেকে অ্যাপ্রোচ লাইটের দুটি ট্রান্সফরমার এবং প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কেব্ল কিট চুরি হয়। এরপর গত ১০ সেপ্টেম্বর একই এলাকা থেকে আরও তিনটি ট্রান্সফরমার ও সংশ্লিষ্ট তার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। ১৩ সেপ্টেম্বর ২৩ প্রান্তের বোট ক্লাবের কাছে ছয়টি ট্রান্সফরমার এবং অ্যাপ্রোচ লাইটের বিভিন্ন প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কেব্ল কিট চুরি হয়।

