মানিকগঞ্জ ও সাভার: ডাকঘর আছে, পোস্টমাস্টার নেই

ডাকঘরটির দায়িত্বে থাকা পোস্টাল অপারেটর কল্যাণী রানী সাহা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমি সাব-পোস্টমাস্টারের দায়িত্ব পালন করছি। এভাবে আর কত দিন চলবে, তা আমার জানা নেই।’
ডাকঘরের জনবল সংকটের প্রভাব কেবল কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, এর প্রভাব পড়ছে নিয়মিত চিঠি ও পার্সেল পাঠানো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপরেও। বিশেষ করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চিঠি, চাকরির আবেদন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ব্যবসায়িক পার্সেল পাঠানোর ক্ষেত্রে যাঁরা ডাকসেবা গ্রহণ করে থাকেন তাঁদের ওপর।
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা এলাকার অ্যাসপায়ার গার্মেন্টস লিমিটেডের মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা রুবেল হোসেনকে প্রতিষ্ঠানের চিঠি রেজিস্ট্রি করতে প্রায়ই সাভার ডাকঘরে আসতে হয়। রুবেল বলেন, ‘জনবল সংকটে ডাকঘর থেকে
শুধু খামে ডাকটিকিট লাগিয়ে অনলাইনে নিবন্ধনের কাজ করা হয়। আর বাকি কাজ নিজেকেই করতে হয়। কিছুদিন আগেও প্রায় ৩০০টি চিঠির রেজিস্ট্রির প্রাথমিক কাজ আমাকেই করে দিতে হয়েছে।’

