রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
কচাকাটা কলেজে চার পদে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, অধ্যক্ষ-সভাপতির অপসারণ দাবিপুরো উপজেলায় যমজ দুই বোন পেলেন জিপিএ-৫রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার হাফিজরোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ডবিএনপি জাতির জন্য আপদ, এই আপদ সরাতে হবে: এ টি এম আজহারসাজেকে দ্বিতীয় দিনের মতো জেএসএস-ইউপিডিএফ গোলাগুলিপিএসসির সদস্য ড. শামীমার শপথআপনি কোথাও পালাতে পারবেন না—রামলীলা থেকে মোদিকে রাহুলের হুঁশিয়ারি১২০০ টাকা নিয়ে বিরোধে ঝিনুককে হত্যা, মরদেহ ফেলা হয় ২০০ কিমি দূরেস্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট-নার্সদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন: ড. জাকির
বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে পুলিশ সুপার ও পুনাক সভানেত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ এএম
চুয়াডাঙ্গায় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে পুলিশ সুপার ও পুনাক সভানেত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসব যাতে নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হতে পারে, সেজন্য চুয়াডাঙ্গা সদর থানার আওতাধীন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেছেন জেলা পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সভানেত্রী মিসেস হাবিবা নুসরাত হক মৌ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মণ্ডপগুলো পরিদর্শনে বের হন তাঁরা। এ সময় প্রতিটি মণ্ডপের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পূজার পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন জেলা পুলিশপ্রধান ও পুনাক সভানেত্রী। একই সঙ্গে মণ্ডপে আসা ভক্ত ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান তাঁরা।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার বলেন, উৎসবের এই দিনগুলোতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বন্ধন অটুট রাখতে হবে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে আনন্দময় পরিবেশে পূজা উদযাপনের পাশাপাশি সরকারি সব নির্দেশনা মেনে চলা এবং নির্ধারিত সময়ে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যাপারে মণ্ডপ সংশ্লিষ্টদের প্রতি তাগিদ দেন তিনি। পূজামণ্ডপগুলোতে সিসি ক্যামেরাসহ নিজস্ব নিরাপত্তা উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং জেলা পুলিশকে সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান পুলিশ সুপার ও পুনাক সভানেত্রী।

এ বছর চুয়াডাঙ্গা জেলার মোট ১১৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপের নিরাপত্তায় আয়োজকদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দলের পাশাপাশি পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এর বাইরে সাদা পোশাকে জেলা বিশেষ শাখা (ডিএসবি), গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং ট্রাফিক পুলিশসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন টিম মাঠে সক্রিয় রয়েছে। দুর্গোৎসব ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ।

পরিদর্শনের সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আঞ্চলিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...