আলমডাঙ্গায় পুলিশের অভিযানে মাদক মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৭

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে থানা-পুলিশ। বুধবার রাত থেকে শুরু করে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহরিয়ার হোসেন রুবেলের নেতৃত্বে গোবিন্দপুর মাঠপাড়ার মাদক কারবারি মো. ফয়সাল মাহমুদের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে হওয়া একটি মামলার তদন্তে নাম আসা আসামি মো. তারেক (৩৮) ও মো. সাইফুল মালিথাকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। তারেক জেহালা অঘরনাথপাড়া গ্রামের মধু সর্দারের ছেলে এবং সাইফুল মালিথা কালিদাসপুর স্কুলপাড়া গ্রামের মো. সাদেক মালিথার ছেলে। একই রাতে এসআই মো. নাজমুল করিমের নেতৃত্বে পরিচালিত আরেক অভিযানে গোবিন্দপুর মাঠপাড়ার মৃত আনিসুজ্জামান মালিথার ছেলে মো. ফয়সাল মাহমুদকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়। ফয়সালের বিরুদ্ধেও মাদক আইনে মামলা রয়েছে।
এদিকে বুধবার রাতে আলমডাঙ্গা পৌরসভার রাধিকাগঞ্জ এলাকায় মিন্টু মিয়ার ফলের দোকানের সামনের পাকা রাস্তায় অভিযান চালান এসআই মো. আলমগীর হোসেন। এ সময় এক গ্রাম গাঁজাসহ কামালপুর গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে মো. সজল আলীকে (২৫) হাতেনাতে ধরা হয়। একই রাতে কুমারী গ্রামের কালিমন্দির এলাকা থেকে এক পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয় ওই গ্রামের মৃত শফিউদ্দিনের ছেলে মাসুম রেজাকে (২৬)। মাদকসহ ধরা পড়া এই দুজনকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে বুধবার দিনগত শেষ রাতে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার লাল ব্রিজের ওপর জনসাধারণের চলাচলে বিরক্তি সৃষ্টির অভিযোগে সুজন (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তিনি গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামের মৃত লুৎফর রহমান লুতুর ছেলে। তার বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ৩৪(৬) ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে দূর্লভপুর গ্রামে এএসআই মো. সাইফুল ইসলাম খার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. এনামুল হক ওরফে আব্দুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের খেদের আলী মণ্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে জিআর-১৫/১৮ নম্বর মামলার পরোয়ানা ছিল।
আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার সাতজনের বিরুদ্ধেই যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

