মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বি. এন. খান কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ হিন্দু পরিবারেরসৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশসেরা কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়আইসিসির বিশেষ দায়িত্বে বাংলাদেশের আম্পায়ার গাজী সোহেলনাগরিকদের ৩ দিনের খাবার-পানি মজুতের নির্দেশনা এশিয়ার এক দেশেরব্যানার-তোরণ নয়, প্রধানমন্ত্রীকে বরণে রং-তুলিতে বদলে যাচ্ছে খুলনাপ্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর হস্তক্ষেপে নতুন ভবন পেল পাহাড়ি স্কুলভুয়া চাকরির ইন্টারভিউয়ের ফাঁদ পেতে বাইন্যান্স থেকে চুরি হয় ৬.৩ বিলিয়ন ডলারভারতের চোখে বাংলাদেশ সবচেয়ে শক্তিশালীএবার আফগানিস্তানের লিগেও সাকিব, খেলবেন কোন দলেশ্রীপুরে অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধার ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৩
বিজ্ঞাপন

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা প্রত্যাখ্যান ডাকসু ভিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা প্রত্যাখ্যান ডাকসু ভিপির

গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা প্রত্যাখান ও বর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক একাউন্টে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।

পোস্টে সাদিক কায়েম লেখেন, জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিতব্য ‘সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’র মতবিনিময় সভায় ডাকসু ভিপি হিসেবে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমি এবং ডাকসু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বিরোধী এই প্রহসনের মতবিনিময় সভা প্রত্যাখ্যান করছি এবং বর্জন করছি।

তিনি লেখেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সহস্রাধিক শহীদের আকাঙ্ক্ষা ছিলো রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল সংস্কার, নামমাত্র কয়েকটি অনুচ্ছেদ সংশোধনের জন্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থান হয়নি। সংবিধান সংশোধন আর সংস্কার এক বিষয় নয়। সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সংবিধান সংশোধন করতে পারে, কিন্তু সেই ক্ষমতাবলে সংসদ বিদ্যমান সংবিধান ও এর মৌলিক কাঠামোর বাইরে কিছু করতে পারবে না। সংসদ সংবিধানের বাইরে গিয়ে নিজের ক্ষমতায় নতুন সাংবিধানিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।

তিনি আরও লেখেন, ইতিহাসই প্রমাণ করে সংশোধনী ক্ষমতা কতটা সীমিত। জিয়াউর রহমানের সময় পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তন আনা হলেও ২০০৫ সালে হাইকোর্ট ও ২০১০ সালে আপিল বিভাগ সংশোধনীটি অবৈধ ঘোষণা করে। একইভাবে অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ছয়টি স্থায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চের বিধানও ১৯৮৯ সালে বাতিল হয়। ত্রয়োদশ সংশোধনীর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাও আদালতের মাধ্যমে ২০১১ সালে বাতিল হয়েছিল।

সাদিক কায়েম লেখেন, জুলাই সনদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি পরিবর্তন, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব রয়েছে। এসবের মধ্যে কয়েকটি প্রস্তাব সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে সরাসরি স্পর্শ করে। ফলে শুধু ১৪২ অনুচ্ছেদের সংশোধনী দিয়ে এসব বাস্তবায়ন করলে ভবিষ্যতে আদালতে চ্যালেঞ্জের গুরুতর ঝুঁকি থাকবে। জেনেশুনে জুলাই সনদকে এমন অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...