কালুরঘাট থেকে চৌধুরীহাট: বালুর দেড় শতাধিক অবৈধ স্পট

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ঠিকাদার বলেন, বৈধভাবে বালুমহাল ইজারা নিয়ে ব্যবসার চেয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রিতে লাভ বেশি। এ কারণে অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না বলে তাঁর অভিযোগ।
বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১০ মাসে একাধিক অভিযান চালিয়েছেন তিনি। তবে অভিযানে স্থানীয়দের সহযোগিতা পাওয়া যায় না। জব্দ করা বালু নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিলেও কেউ অংশ নিতে চান না। অবৈধ ব্যবসা বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ইউএনও আরও বলেন, ভারী ট্রাক চলাচল ঠেকাতে কালুরঘাট সেতুসংলগ্ন চরণদ্বীপের মুখে দুটি প্রতিবন্ধক বসানো হয়েছিল। শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তরা একটি ভেঙে ফেলে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা প্রশাসন গত ১০ সেপ্টেম্বর কালুরঘাট-ভাণ্ডালজুড়ি সড়কের নিরাপত্তা খুঁটি উপড়ে বালুর ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ফরিদ মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীকে সাত দিনের বিনা শ্রম কারাদণ্ড দেন। ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রায় ১ হাজার ৮০০ ফুট পাইপ, বালুভর্তি দুটি ট্রাক ও একটি ভেকু জব্দ করা হয়। এ ছাড়া সাতটি অবৈধ বালু উত্তোলনের স্পট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

